আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
472 views
in সাওম (Fasting) by (1 point)
আসসালামু আলাইকুম
১ রোজা রেখে গোসলের সময় এক ফোঁটা পানি মুখে যায় গিলে ফেলার পর তখন মনে পরে রোজার কথা ।

২ একটু পর আবার ভুল করে নাকের ভিতর পানি চলে যায়(তখন রোজার কথা মনে ছিলো) নাক যথা সম্ভব ঝেরেছি । পানি ভেতরে গিয়েছে কি-না এ ব্যাপারে সন্দিহান।

৩ কানের ভিতরেও পানি যায় (তখন রোজার কথা মনে ছিলো) সাথে সাথে কান ঝারা দিয়েছি। ভিতরে পানি গিয়েছে কি-না এ ব্যাপারে সন্দিহান।
এমতাবস্থায় আমার রোজা কি ভেঙ্গে গিয়েছে?

1 Answer

0 votes
by (762,960 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم


রোযা অবস্থায় ভুলে পানাহার করলেও রোযা ভঙ্গ হয় না।

হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَنْ نَسِيَ وَهُوَ صَائِمٌ فَأَكَلَ أَوْ شَرِبَ فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ فَإِنَّمَا أَطْعَمَهُ اللَّهُ وَسَقَاهُ  رواه البخاري(1933) ، ومسلم (1155 .
যে ব্যক্তি ভুলে আহার করল বা পান করল সে যেন তার রোযা পূর্ণ করে। কারণ আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন।-সহীহ মুসলিম ১/২০২
 
عن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال :  من أفطر في شهر رمضان ناسياً فلا قضاء عليه ولا كفارة أخرجه ابن حبان (8/288) ، والحاكم (1/430) وحسنه الألباني في "صحيح الجامع"(6070 .

হযরত আবু হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত,রাসুলুল্লাহ সাঃ ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ভুলক্রমে ইফতার করে ফেলল। তার জন্য কোন কাযা বা কাফফারা নেই।
(হাসান। হাকিম ১/৪৩০, ইবনু খুযাইমাহ ১৯৯০,বুলুগুল মারাম ৬৭০)

আরো জানুনঃ- 

★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
(০১)
এটি ভুলক্রমে হলে আপনার রোযা ভেঙ্গে যাবেনা।
তবে রোযার কথা স্মরন থাকা সত্ত্বেও অনিচ্ছায় এক গোটা পানি গলায় চলে গেলে রোযা ভেঙ্গে যাবে।

(০২)
রোযা অবস্থায় নাকের ভিতর পানি প্রবেশ করার পর যদি তা গলায় চলে যায় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে।

আর যদি শুধু নাকে পানি প্রবেশ করে, গলায় না পৌঁছে তবে রোযা ভাঙ্গবে না।

সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে পানি গলার মধ্যে চলে গেলেই কেবল রোযা ভেঙ্গে যাবে। 
নতুবা নয়।

(০৩)
এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান হলো, কানের ভিতর পানি চলে গেলে রোজা ভাঙ্গবে না। তবে কানে পানি প্রবেশ করার ক্ষেত্রে যদি পানি পেটে ঢুকে যায় তাহলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। (ইলমুল ফিকহ ৩/৩২)

সন্দেহ হলে সতর্কতামূলক উক্ত রোযা পুনরায় রাখার পরামর্শ থাকবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (762,960 points)

روزے کی حالت میں کان میں پانی چلے جانے سے روزہ فاسد نہیں ہوتا، البتہ جان بوجھ کر کان میں پانی ڈالنے کی صورت میں صحیح روایت کے مطابق روزہ اگرچہ فاسد نہیں ہوتا ہے، تاہم احتیاطاً ایک روزے کی قضا کر لینا بہتر ہے۔ تنویر الابصار مع الدر المختار میں ہے:

"(أَوْ دَخَلَ الْمَاءُ فِي أُذُنِهِ وَإِنْ كَانَ بِفِعْلِهِ) عَلَى الْمُخْتَارِ كَمَا لَوْ حَكَّ أُذُنَهُ بِعُودٍ ثُمَّ أَخْرَجَهُ وَعَلَيْهِ دَرَنٌ ثُمَّ أَدْخَلَهُ وَلَوْ مِرَارًا".

 فتاوی شامیمیں ہے:

"وَالْحَاصِلُ الِاتِّفَاقُ عَلَى الْفِطْرِ بِصَبِّ الدُّهْنِ وَعَلَى عَدَمِهِ بِدُخُولِ الْمَاءِ. وَاخْتَلَفَ التَّصْحِيحُ فِي إدْخَالِهِ، نُوحٌ". (شامي، كتاب الصوم، ٢/ ٣٩٦)

2۔ کان میں تر دوا ڈالنے سے روزہ فاسد ہوجاتا ہے، قضا لازم ہوتی ہے البتہ کفارہ لازم نہیں ہوتا، اسی طرح  اگر خشک سفوف بطورِ دوا ڈالا گیا اور وہ (پردے کے) اندر تک چلا گیا تو روزہ فاسد ہوجائے گا، صرف قضا لازم ہوگی۔ فتاوی شامی میں ہے:

"(قَوْلُهُ: فَوَصَلَ الدَّوَاءُ حَقِيقَةً) أَشَارَ إلَى أَنَّ مَا وَقَعَ فِي ظَاهِرِ الرِّوَايَةِ مِنْ تَقْيِيدِ الْإِفْسَادِ بِالدَّوَاءِ الرَّطْبِ مَبْنِيٌّ عَلَى الْعَادَةِ مِنْ أَنَّهُ يَصِلُ وَإِلَّا فَالْمُعْتَبَرُ حَقِيقَةُ الْوُصُولِ، حَتَّى لَوْ عَلِمَ وُصُولَ الْيَابِسِ أَفْسَدَ أَوْ عَدَمَ وُصُولِ الطَّرِيِّ لَمْ يُفْسِدْ وَإِنَّمَا الْخِلَافُ إذَا لَمْ يَعْلَمْ يَقِينًا فَأَفْسَدَ بِالطَّرِيِّ حُكْمًا بِالْوُصُولِ نَظَرًا إلَى الْعَادَةِ وَنَفَيَاهُ كَذَا أَفَادَهُ فِي الْفَتْحِ. قُلْت: وَلَمْ يُقَيِّدُوا الِاحْتِقَانَ وَالِاسْتِعَاطَ وَالْإِقْطَارَ بِالْوُصُولِ إلَى الْجَوْفِ لِظُهُورِهِ فِيهَا وَإِلَّا فَلَا بُدَّ مِنْهُ حَتَّى لَوْ بَقِيَ السَّعُوطُ فِي الْأَنْفِ وَلَمْ يَصِلْ إلَى الرَّأْسِ لَا يُفْطِرُ، وَيُمْكِنُ أَنْ يَكُونَ الدَّوَاءُ رَاجِعًا إلَى الْكُلِّ، تَأَمَّلْ". ( كتاب الصوم، ٢ / ٤٠٢)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 448 views
0 votes
1 answer 306 views
0 votes
1 answer 329 views
...