আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
547 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (11 points)
আসসালামুআলাইকুম।।।
১-আমি একটা লেকচারে দেখলাম একজন বললো যে কোন হারাম খাবার বিসমিল্লাহ বলে খেলে সে কাফের হবে। কথাটি কি সত্যি

২-আমার স্ত্রী একসময় রাগে একজনের সাথে ঝগড়া করে বলছে যে আল্লাহ যদি থাকেন তাহলে তোমার বিচার হবে।সাথে সাথেই আবার বলছে যে আল্লাহ আছে তোমার বিচার করবেনই।। এমন কথা বললে কি কাফির হয়ার সম্ভাবনা আছে৷  পরে যখন বুঝিয়ে বলছে তখন অবশ্য তাওবা করছে

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আল্লাহ তা‘আলা পবিত্র কুরআনে এই মারাত্মক শিরক প্রসঙ্গে বলেন,
اِتَّخَذُواْ أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَاباً مِّنْ دُوْنِ اللهِ-
‘আল্লাহর পরিবর্তে তারা তাদের আলেম ও সাধু-দরবেশদেরকে প্রভু বানিয়ে নিয়েছে’ (তওবা ৩১)।
আদী বিন হাতেম (রাঃ) আল্লাহর নবীকে এ আয়াত পাঠ করতে শুনে বলেছিলেন,
 إِنَّهُمْ لَمْ يَكُونُوا يَعْبُدُونَهُمْ ‘
ওরা তো তাদের ইবাদত করে না’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছিলেন,
 وَلَكِنَّهُمْ كَانُوا إِذَا أَحَلُّوا لَهُمْ شَيْئًا اسْتَحَلُّوهُ وَإِذَا حَرَّمُوا عَلَيْهِمْ شَيْئًا حَرَّمُوهُ 
‘তা বটে। কিন্তু আল্লাহ যা হারাম করেছেন তারা ওদেরকে তা হালাল করে দিলে ওরা তা হালালই মনে করে। একইভাবে আল্লাহ যা হালাল করেছেন তারা ওদেরকে তা হারাম করে দিলে ওরা তা হারামই মনে করে। এটাই তাদের ইবাদত করা’।

আল্লাহ পবিত্র কুরআনে মুশরিকদের আচরণ বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন,
وَلاَ يُحَرِّمُوْنَ مَا حَرَّمَ اللهُ وَرَسُولُهُ وَلاَ يَدِيْنُوْنَ دِيْنَ الْحَقِّ-
‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যা হারাম করেছেন তারা তাকে হারাম গণ্য করে না এবং সত্য দ্বীনকে তাদের দ্বীন হিসাবে গ্রহণ করে না’ (তওবা ২৯)।

অন্যত্র তিনি বলেন,
قُلْ أَرَأَيْتُمْ مَّا أَنْزَلَ اللهُ لَكُم مِّن رِّزْقٍ فَجَعَلْتُمْ مِّنْهُ حَرَاماً وَحَلاَلاً قُلْ اللهُ أَذِنَ لَكُمْ أَمْ عَلَى اللهِ تَفْتَرُونَ-
‘আপনি বলুন, আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে যে রূযী দান করেছেন, তন্মধ্যে তোমরা যে সেগুলির কতক হারাম ও কতক হালাল করে নিয়েছ, তা কি তোমরা ভেবে দেখেছ? আপনি বলুন, আল্লাহ কি তোমাদেরকে এতদ্বিষয়ে অনুমতি দিয়েছেন, নাকি তোমরা আল্লাহর নামে মনগড়া কথা বলছ’ (ইউনুস ৫৯)।

প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১)
খাবারটি হারাম।সেটা খাওয়া যাবে না, খেলে গোনাহ হবে।এরকম খাবারে বিসমিল্লাহ বললে আল্লাহর সাথে ঠাট্টা বিদ্রুপ হবে,এমনটা জানার পরও যদি কেউ হারাম খাবারকে বিসমিল্লাহ বলে ভক্ষণ করে নেয়,তাহলে এটার দ্বারা অবশ্যই সে কাফির হয়ে যাবে।নতুবা গোনাহ হলেও সে কাফির হবে না।

(২)
যেহেতু সে তার কথার ব্যখ্যা সে পরে দিয়ে দিয়েছে,তাই সে কাফির হবে না।তবে ভবিষ্যতে সতর্কতার সাথে কথা বলতে হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
জাযাকাল্লাহ।। দয়া করে কমেন্টের রিপ্লাই টা দিবেন।।অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে রান্না করা খাবার খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলা যাবে কি?
বিঃদ্রঃঅতি শীঘ্রই অবৈধ গ্যাস ব্যবহার বাদ দিব ইনশাআল্লাহ। 
আর রোজার দিনের  কেউ যদি রোজা না রাখে এবং খাবার খায় তখন বিসমিল্লাহ বলা যাবে কি?
এই দুই ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহ বলা যাবে কি?বা কুফরি হয়ার কি কোন সম্ভাবনা আছে?

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 450 views
0 votes
1 answer 517 views
...