আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
71 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (5 points)
১.দ্বীনের বুঝ আসার আগে অনেক নামাজ মিচ গেছে আর বুঝ আসার পরে অল্প কিছু মিচ গেছে তেমন রোজাও। এখন সেগুলো কিভাবে পালন করব? নিয়ত কি রাখব। কত শত ওয়াক্ত গেছে হিসেব নেই। কিভাবে সেই হিসেব করব। আমার বয়স ২৩ বছর।


2. মৃত ব্যক্তির বাদ দেয়া নামাজ রোজা কিভাবে পালন করে দিতে হবে?

1 Answer

0 votes
by (764,700 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
https://ifatwa.info/43094/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ
নামাজ ত্যাগ অনেক মারাত্মক গুনাহ। 
হাদীস শরীফে এসেছে-
 
عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ " وَلاَ تَتْرُكْ صَلاَةً مَكْتُوبَةً مُتَعَمِّدًا فَمَنْ تَرَكَهَا مُتَعَمِّدًا فَقَدْ بَرِئَتْ مِنْهُ الذِّمَّةُ وَلاَ تَشْرَبِ الْخَمْرَ فَإِنَّهَا مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ " .
 
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার প্রিয় বন্ধু (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)
আমাকে এই উপদেশ তুমি স্বেচ্ছায় ফরয নামায ত্যাগ করো না। যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় তা ত্যাগ করে তারথেকে (আল্লাহর ) যিম্মদারি উঠে যায়। তুমি মদ্যপান করো না। কেননা তা সর্বপ্রকার অনিষ্টের চাবিকাঠি। (সুনানে ইবনে মাজাহ ৪০৩৪)

আরো জানুনঃ 

ইবনে আবেদীন শামী রাহঃ কাযা নামায পড়ার নিয়ম এভাবে দিয়েছেন যে,

ﻭﻓﻰ ﺍﻟﺪﺭ ﺍﻟﻤﺨﺘﺎﺭ - ﻛَﺜُﺮَﺕْ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺋِﺖُ ﻧَﻮَﻯ ﺃَﻭَّﻝَ ﻇُﻬْﺮٍ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﺃَﻭْ ﺁﺧِﺮَﻩُ،

ﻭﻗﺎﻝ ﺍﺑﻦ ﻋﺎﺑﺪﻳﻦ ﺍﻟﺸﺎﻣﻰ – ( ﻗَﻮْﻟُﻪُ ﻛَﺜُﺮَﺕْ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺋِﺖُ ﺇﻟَﺦْ ) ﻣِﺜَﺎﻟُﻪُ : ﻟَﻮْ ﻓَﺎﺗَﻪُ ﺻَﻠَﺎﺓُ ﺍﻟْﺨَﻤِﻴﺲِ ﻭَﺍﻟْﺠُﻤُﻌَﺔِ ﻭَﺍﻟﺴَّﺒْﺖِ ﻓَﺈِﺫَﺍ ﻗَﻀَﺎﻫَﺎ ﻟَﺎ ﺑُﺪَّ ﻣِﻦْ ﺍﻟﺘَّﻌْﻴِﻴﻦِ ﻟِﺄَﻥَّ ﻓَﺠْﺮَ ﺍﻟْﺨَﻤِﻴﺲِ ﻣَﺜَﻠًﺎ ﻏَﻴْﺮُ ﻓَﺠْﺮِ ﺍﻟْﺠُﻤُﻌَﺔِ، ﻓَﺈِﻥْ ﺃَﺭَﺍﺩَ ﺗَﺴْﻬِﻴﻞَ ﺍﻟْﺄَﻣْﺮِ، ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺃَﻭَّﻝَ ﻓَﺠْﺮٍ ﻣَﺜَﻠًﺎ، ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﺇﺫَﺍ ﺻَﻠَّﺎﻩُ ﻳَﺼِﻴﺮُ ﻣَﺎ ﻳَﻠِﻴﻪِ ﺃَﻭَّﻟًﺎ ﺃَﻭْ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺁﺧِﺮَ ﻓَﺠْﺮٍ، ﻓَﺈِﻥَّ ﻣَﺎ ﻗَﺒْﻠَﻪُ ﻳَﺼِﻴﺮُ ﺁﺧِﺮًﺍ، ﻭَﻟَﺎ ﻳَﻀُﺮُّﻩُ ﻋَﻜْﺲُ ﺍﻟﺘَّﺮْﺗِﻴﺐِ ﻟِﺴُﻘُﻮﻃِﻪِ ﺑِﻜَﺜْﺮَﺓِ ﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺋِﺖِ . ( ﺭﺩ ﺍﻟﻤﺤﺘﺎﺭ، ﻛﺘﺎﺏ ﺍﻟﺼﻼﺓ، ﺑﺎﺏ ﻗﻀﺎﺀ ﺍﻟﻔﻮﺍﺋﺖ - 2/538

ভাবানুবাদঃ-উমরী কাযা নামায আদায় করতে হলে প্রথমে কোন ওয়াক্তের কতটা নামায কাযা হয়েছে তা নির্ণয় করবে।যদি সেটা নির্ণয় করা সম্ভব না হয়। তাহলে অনুমান করে নিবে। অনুমান করে কোন ওয়াক্তের কতটি নামায কাযা হয়েছে সেটা নির্ধারণ করে নিবে। তারপর ধারাবাহিকভাবে একে একে সবগুলোকে  আদায় করে নিবে।

যেমন, ফজরের নামায সর্বমোট ১০০ ওয়াক্তের কাযা হয়েছে। তখন কাযা নামায আদায় করার সময় এভাবে নিয়ত করবে যে, আমার জিম্মায় যত ফজরের নামায কাযা রয়েছে, সে অনাদায়কৃত নামায সমূহের মধ্য থেকে প্রথম ফজরের নামাযকে এখন কাযা আদায় করছি” এমন নিয়তে নামায আদায় করবে।এভাবে হিসেবে করে পড়তে থাকবে। প্রতিবার অনাদায়কৃত প্রথম ফজরের নামায বলার দ্বারা তার যিম্মায় যতগুলো নামায বাকি ছিলো, সেগুলোর প্রথম নামাযের নিয়ত হচ্ছে, তাই এক্ষেত্রে নিয়তটি নির্দিষ্ট নামাযেরই হচ্ছে।ঠিক উল্টোভাবেও করা যায়। অর্থাৎ যত নামায কাযা আছে তার সর্বশেষ অনাদায়কৃত কাযার নিয়ত করছি। এভাবেও পূর্বোক্ত পদ্ধতিতে বাকি নামাযের কাযা আদায় করা যাবে।(রদ্দুল মুহতার-২/৫৩৮)

এ ধারাবাহিকতায় বাকি নামায সমূহের ক্বাযা আদায় করবে। যোহর, আছর, মাগরিব, ইশা এবং সাথে বিতিরের নামাযকে ও এভাবেই আদায় করে নিবে।বিতিরের নামাযের ক্বাযা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/629

যত দিনের ইচ্ছে কাযা আদায় করা যাবে। কোন সমস্যা নেই।

উমরী কা’যার নামায সম্পর্কে  বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/968

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন, 
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে বালেগাহ হওয়ার পর থেকে অনাদায়ী সমস্ত ফরজ ও বিতর নামাজের কাজা আদায় করতে হবে।
সমস্ত রোযার কাজা আদায় করতে হবে।

আপনি এভাবে কাজা নামাজের নিয়ত করবেনঃ-
"আমার জিম্মায় যত ফজরের নামায কাযা রয়েছে, তার মধ্য (সেই অনাদায়কৃত নামায সমূহের মধ্য) হতে প্রথম ফজরের নামাযকে এখন কাযা আদায় করছি”

"আমার জিম্মায় যত জোহরের নামায কাযা রয়েছে, তার মধ্য (সেই অনাদায়কৃত নামায সমূহের মধ্য) হতে প্রথম জোহরের নামাযকে এখন কাযা আদায় করছি”

★কাজা রোযার ক্ষেত্রেও বালেগ হওয়ার পর থেকে অনাদায়ী সমস্ত রোযার কাজা আদায় করতে হবে।
একাধিক বছরের রোযা কাজা হলে কোন বছরের কাজা রোযা,সেই বছরের নিয়ত করতে হবে।

মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ- 

اَیَّامًا مَّعۡدُوۡدٰتٍ ؕ فَمَنۡ کَانَ مِنۡکُمۡ مَّرِیۡضًا اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ فَعِدَّۃٌ مِّنۡ اَیَّامٍ اُخَرَ ؕ وَ عَلَی الَّذِیۡنَ یُطِیۡقُوۡنَہٗ فِدۡیَۃٌ طَعَامُ مِسۡکِیۡنٍ ؕ فَمَنۡ تَطَوَّعَ خَیۡرًا فَہُوَ خَیۡرٌ لَّہٗ ؕ وَ اَنۡ تَصُوۡمُوۡا خَیۡرٌ لَّکُمۡ اِنۡ کُنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ ﴿۱۸۴﴾

অনুবাদঃ- 
এগুলো গোনা কয়েক দিন। অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ হলে বা সফরে থাকলে অন্য দিনগুলোতে এ সংখ্যা পূরণ করে নিতে হবে। আর যাদের জন্য সিয়াম কষ্টসাধ্য তাদের কর্তব্য এর পরিবর্তে ফিদইয়া- একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করা। যদি কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎকাজ করে তবে তা তার জন্য কল্যাণকর। আর সিয়াম পালন করাই তোমাদের জন্য অধিকতর কল্যাণের যদি তোমরা জানতে।
(সুরা বাকারা ১৮৪)

(০২)
https://ifatwa.info/34915/ নং ফতোয়াতে উল্লেখ রয়েছেঃ- 
শরীয়তের বিধান হলো যদি মৃত ব্যক্তি তার সম্পদ থেকে তার নামাযের কাফফারা আদায়ের জন্য অসিয়ত করে যায়, আর তার নিজের মালও ছিল। তাহলে তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদ থেকে কাফফারা আদায় করতে হবে।আর যদি তার কোন সম্পদ না থাকে, বা সে মাল রেখে গেছে কিন্তু কোন কাফফারা আদায়ের অসিয়ত করে যায়নি। তাহলে মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কাফফারা আদায় করা আত্মীয়দের উপর জরুরী নয়। তবে স্বজনদের কাফফারা আদায় করে দেয়াই উত্তম।সন্তানদের সামর্থ্য থাকলে নিজেদের সম্পত্তি থেকে স্বতঃস্ফূর্ততার  সাথে মরহুম পিতার নাজাতের জন্য কাফ্ফারা আদায় করে দিতে পারেন,তাহলে মাইয়্যিতের জন্য যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ।

আরো জানুনঃ 

ফাতাওয়ায়ে শামীতে আছেঃ
   
ولو مات وعلیہ صلوات فائتۃ وأوصی بالکفارۃ یعطی لکل صلوۃ نصف صاع من برّ کالفطرۃ، وکــذا حکم الوتر والصوم، وإنما یعطی من ثلث مالہ، وفي الشامي: فیلزمہ ذلک من الثلث إن أوصی وإلا فلا یلزم الولي ذلک؛ لأنہا عبادۃ فلابد فیہا من الاختیار، فإذا لم یوص فات الشرط، فیسقط في حق أحکام الدنیا للتعذر، وأما إذا لم یوص فتطوع بہا الوارث فقد قال محمد في الزیادات: إنہ یجزیہ إنشاء اللّٰہ تعالٰی۔ (شامي ۲؍۳۳-۵۳۲ زکریا، کذا في البحر الرئق ۲؍۱۶۰ رشیدیۃ، الفتاویٰ الہندیۃ ۱؍۱۲۵ رشیدیۃ)
সারমর্মঃ
কেহ যদি মারা যায়,আর তার যিম্মায় যদি কাজা নামাজ থাকে,এবং তিনি যদি কাফফারা আদায়ের অসিয়ত করে যায়,তাহলে প্রত্যেক নামাজের জন্য সদকায়ে ফিতর এর ন্যায় অর্ধ সা' গম সদকাহ করতে হবে।
বিতির আর রোযার ক্ষেত্রেও এই ভাবেই ফিদইয়া আদায় করতে হবে।
এটি তার সম্পদের তিন ভাগের এক ভাগ সম্পদ থেকে দিবে।
তবে যদি ওসিয়ত করে না যায়,আর ওয়ারিশগন যদি 
নিজেদের সম্পত্তি থেকে স্বতঃস্ফূর্ততার  সাথে কাফ্ফারা আদায় করে দেয়,তাহলে মুহাম্মদ রহঃ বলেছেন যে এটি  মাইয়্যিতের জন্য যথেষ্ট হবে, 

হাদীস শরীফে এসেছেঃ
  
أخرج ابن أبي شیبۃ عن عمر بن عبد العزیز في صدقۃ الفطر: نصف صاع عن کل إنسان أو قیمتہ نصف درہم۔ (مصنف ابن أبي شیبۃ ۶؍۵۰۸ رقم: ۱۰۴۷۰)
সারমর্মঃ
ওমর বিন আব্দুল আজিজ রহঃ সদকায়ে ফিতর এর ক্ষেত্রে প্রত্যেক মানুষ থকে অর্ধ সা' (গম) অথবা তার মূল্য নিতেন।   

وإن لم یوص وتبرع بہ بعض الورثۃ جاز۔ (حلبی کبیر ۵۳۵)
সারমর্মঃ
যদি ওসিয়ত করে না যায়,তাহলে কতিপয় ওয়ারিশগন যদি তাহা দিয়ে দেয়,তাহলে জায়েজ আছে।   

★বিতরসহ প্রতি ওয়াক্ত নামায হিসেব করে প্রত্যেক ওয়াক্তের জন্য পৌনে দুই সের গম বা আটা অথবা এর বাজার মূল্য গরীব মিসকিনকে মালিক বানিয়ে দান করে দিতে হবে। অথবা প্রতি ওয়াক্তের বদলে একজন গরীবকে দুই বেলা তৃপ্তি সহকারে খানা খাওয়াতে হবে। যা সদকায়ে ফিতির এর টাকা পরিমাণ হয়। (ফতাওয়া শামী-২/৭২)

সহজ কথায়, প্রতিটি নামাযের জন্য সদকায়ে ফিতির পরিমাণ টাকা গরীবকে দান করে দিতে হবে।

আরো জানুনঃ 
,
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ব্যাক্তি যদি নামাজ ও রোযার কাফফারা আদায়ের অসিয়ত করে গিয়ে থাকে,সেক্ষেত্রে তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদ থেকে অনাদায়ী নামাজের কাফফারা আদায় করতে হবে।

বালেগ হওয়ার পর থেকে নিয়ে তার মৃত্যু পর্যন্ত কত ওয়াক্ত নামাজ কাজা হয়েছে! কয়টি রোযা কাজা হয়েছে! সেটির হিসাব করতে হবে 

তারপর সেই নামাজ ও রোযাগুলোর ফিদিয়া আদায় করতে হবে। 

বিতির সহ প্রতি ফরজ নামাজের জন্য সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনদের মাঝে দান করে দিতে হবে।

অনুরুপ ভাবে প্রত্যেকটি রোযার জন্য সদকায়ে ফিতর সমপরিমাণ টাকা গরিব মিসকিনদের মাঝে দান করে দিতে হবে।

★আর যদি তিনি ফিদইয়াহ আদায়ের অসিয়ত না করে যান,সেক্ষেত্রে ওয়ারিশদের উপর ফিদইয়াহ আদায় আবশ্যক নয়।

তারপরেও ওয়ারিশরা যদি ফিদইয়াহ আদায় করতে চায় সেক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত নিয়মে প্রতিটি নামাজ ও প্রতিটি রোযার ফিদইয়াহ আদায় করবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...