আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
61 views
in সাওম (Fasting) by (19 points)
আসসালামুআলাইকুম।
রোজা থাকা অবস্থায় স্ত্রী চায় নি। কিন্তু স্বামীর ইচছায়  তারা সহবাস করে।স্ত্রী  কেবল একবার না করেছিল। এতে কাফফারার ক্ষেত্রে স্রীর কি করণীয়। ৬০ দিন টানা রোজা রাখা অনেকটা অসম্ভব। জাজাকাল্লাহ।

1 Answer

0 votes
by (805,890 points)


ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
রমজানে রোযা অবস্থায় স্বামী স্ত্রী সহবাস করলে কাযা কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। যদি স্ত্রী অস্বীকার করে, এবং স্বামী জোরজবরদস্তি মূলক সহবাস করে নেয়, তাহলে স্বামীর উপর কাযা এবং কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। এবং স্ত্রীর উপর শুধুমাত্র কাযা আসবে। কিন্তু স্ত্রী যদি প্রথমদিকে না করে অতঃপর শেষদিকরে বাধা না দেয়, তাহলে স্ত্রীর উপরও কাযা এবং কাফফারা উভয়টি ওয়াজিব হবে। রোযার কাফফারা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/102

الفتاوى الهندية (1/ 205):
"من جامع عمداً في أحد السبيلين فعليه القضاء والكفارة، ولايشترط الإنزال في المحلين، كذا في الهداية. وعلى المرأة مثل ما على الرجل إن كانت مطاوعةً، وإن كانت مكرهةً فعليها القضاء دون الكفارة. وكذا إذا كانت مكرهة في الابتداء ثم طاوعته بعد ذلك كذا في فتاوى قاضي خان".

الدر المختار وحاشية ابن عابدين (رد المحتار) (2/ 409):
''(وإن جامع) المكلف آدمياً مشتهى (في رمضان أداءً) لما مر (أو جامع) أو توارت الحشفة (في أحد السبيلين) أنزل أو لا ۔۔۔ قضى) في الصور كلها (وكفر)". فقط والله أعلم


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 483 views
...