আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
72 views
in সালাত(Prayer) by (3 points)
১) নামাজে একই রুকনে তিনবার হাত দিয়ে কিছু করলে কি নামাজ ভঙ্গ হয়ে যাবে? এমনটি করে ফেললে কি পুনরায় নিয়ত করতে হবে?


২) একটি টিভি প্রোগ্রাম এ শুনলাম হাদিসে আছে ৪ প্রকারের ব্যক্তি তথা জিনাকারী,মদ্যপ ব্যক্তি,চোর,ডাকাত এরূপ ব্যক্তির ঈমান থাকে না। আরও বলেছে সে যখন ওই গুনাহ তে লিপ্ত হয় তখন ইমান থাকে না তওবা করলে আল্লাহ পাক ইমান ফিরিয়ে দেন।
আমার প্রশ্ন হলো তাহলে এই ৪ গুনাহ এর একটিতে কেউ লিপ্ত হলে তার কি ইমান ভঙ্গ হয়ে যাবে না তওবা না করা পর্যন্ত কি সে ইসলামের বাহিরে থাকবে??

৩)এক ব্যক্তি নিয়মিত সালাত আদায় করে না।যদিও সে সালাত ফরজ বিশ্বাস করে এবং ত্যাগ করা অনেক বড় কবিরা গুনাহ তাও স্বীকার করে তবুও বেনামাজি। বাসার কেউ যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করে সালাত আদায়ের কথা তখন সে বলে যে পড়ছে কিন্তু সে বাস্তবে সালাত আদায় করে নাই। কিন্তু সে জানে সালাত আদায় না করায় তার গুনাহ হচ্ছে এবং এই বিধান স্বীকার করে।
এরূপ ব্যক্তির কি ঈমান ভঙ্গ হবে বা কুফরি হবে?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আ'মলে কাছির নির্ণয়ে ফুকাহায়ে কেরামের মধ্য যথেষ্ট মতবিরোধ রয়েছে।যথা-
(১) সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য মতানুযানী 'আ'মলে কাছির' বলা হয়,এরূপ নড়াচড়া-কে যে, নড়াচড়ায় কর্মরতকে মুসাল্লি সম্পর্কে নামাযের বাহির থেকে অবলোকনকারীর নিশ্চিত ধারণা জন্মে যে,সে এখন আর নামাযে নেই। এ ধরনের কাজ দ্বারা তার নামায নষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু যদি উক্ত মুসাল্লি সম্পর্কে নামাযরত বলে ধারণা করা যায়,তাহলে এমতাবস্থায় সে কাজকে 'আ'মলে কাছীর' বলা যাবে না।বরং একে 'আ'মলে ক্বালিল'-ই  বলা হবে, এবং তখন নামায নষ্ট হবে না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/445


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) নামাজে একই রুকনে তিনবার হাত দিয়ে কিছু করলে নামাজ ভেঙ্গে যাবে। 

(২)  এই ৪ গুনাহ এর কোনো একটিতে কেউ লিপ্ত হলে যদি তার ইমান ভঙ্গ হবে না তথাপি তার গোনাহ হবে। 

(৩)নামায তরক করা কবিরা গোনাহ। তবে এজন্য ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 300 views
...