السلام عليكم و رحمة الله وبركاته
শাইখ, আমার কিছু জীবনঘনিষ্ঠ মাসয়ালা জানার ছিলো।
১. ক.আল্লাহর কাছে কি আমরা এভাবে দুয়া করতে যে, ইয়া রব যদি এই বিষয়টার মাঝে কল্যাণ থাকে তবুও এটা আমাকে দিয়েন না বরং আমার জন্য আপনি অনত্র এর চেয়ে উত্তম কল্যাণ লিখে দিন?
খ. দুয়ার সময়ে সবসময়ই কল্যাণ শব্দটা ইউজ করি। যদি "সর্বোত্তম কল্যাণ' বলা হয় তবে কি বিষয়টা আরো উপকারী হয়ে যায়?
২. শরীরের কোনো জায়গায় নাপাকি লাগলে অযু করার সময়ে কি তা আগে ধুয়ে নিয়ে তারপর অযু করতে হবে? যেমন ধরুন কথার কথা, পুরো হাতের কবজি অব্ধি নাপাকি লেগেছে তো ওযু করার সময়ে কি আগে তা ধুয়ে পরে অযুর নিয়াতে তিনবার হাত ধুতে হবে? নাকি অযুর সময়ে ধুলেই নাপাকি দূর হয়ে যাবে এর পাশাপাশি যেহেতু অঙ্গ পুরোটা ভিজেছে সে অনুযায়ী অযুও হয়ে যাবে?মানে একবার পানি ব্যবহারেই দুই কাজ— নাপাকও দূর হয়ে যাওয়া, অযুও হয়ে যাওয়া।
আমি এক জায়গায় পড়েছিলাম যে আগে নাপাকি ধুয়ে নেওয়া সুন্নাত। আমি সুন্নাত না আমি মূল মাসয়ালাটা জানতে চাচ্ছি- অযু হবে কি হবে না।
৩. সালাতে দাড়ানোর আগেই যদি সতরের কোনো অঙ্গের অল্প একটুখানি বের হয়ে থাকে কিন্তু আমি তা খেয়াল করিনি।আর এ অবস্থাতেই সালাত আদায় করেছি তবে কি সালাত আদায় হবে?
৪. সালাতে যদি রাকাত নিয়ে সন্দেহ যে, ৩ রাকাত পড়লাম নাকি ৪ রাকাত। ৩ রাকাত পড়ার ব্যপারে যদি ৩০% মনে হয়, আর ৪ রাকাত পড়ার ব্যপারে ৭০%.তবুও যদি আমি মন যেদিকে কম ঝুকেছে(৩০%) এর উপর আমল করে আরো এক রাকাত আদায় করি তবে কি সালাত হবে নাকি মন যেদিকে বেশি ঝুকেছে তার উপর আমল করতে হবে?
৫. কোর্সের ক্লাস চলাকালীন যদি অন্য কোনো কাজ করি আর ক্লাসও করতে থাকি তবে কি গুনাহ হবে?
[এক বোনের প্রশ্ন]