আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
33 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (7 points)
নারীদের জন্য জিহাদ নেই তাহলে নারীরা কিভাবে শাহাদের মর্যাদা লাভ করবে?যুদ্ধের ময়দানে কাফেরের সাথে যুদ্ধ করে শহিদ হওয়া আর যেকোনো এক্সিডেনে মারা গিয়ে শহিদ অথবা সন্তান প্রসবের সময় মৃত্যু এই ২টা শাহাদাতের স্বাদ তো একটা না তাহলে মেয়েরা কি ঐরকম শাহাদাতের স্বাদ পাবে না?

 কেউ যদি হারাম রিলেশন থেকে বের হয়ে আল্লাহর পথে আসে এবং বিয়ে করে কিন্তু তারপরেও তার না চাইতে তার প্রাক্তনের কথা মনে পরে যা হারাম ছিলো কথা বলতে ইচ্ছে হয় তাহলে করনীয় কি হবে?এক্ষেত্রে ঐ প্রাক্তন কে ভুলবে কিভাবে?

1 Answer

0 votes
by (812,700 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হজ ইসলামের এক গুরুত্বপূর্ণ রুকন। নারীর জন্য হজ জিহাদ সমতুল্য। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

»يا رسول الله، هل على النساء جهاد ؟ قال: نعم، عليهن جهاد لا قتال فيه: الحج والعمرة«

“হে আল্লাহর রাসূল, নারীদের ওপর কি জিহাদ আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তাদের ওপর এমন জিহাদ আছে যেখানে মারামারি নেই: (অর্থাৎ) হজ ও উমরাহ”। (ইবন মাজাহ: (৩৯০১), আহমদ: (৬/১৬৫)

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে ইমাম বুখারী আরো বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন:

»يا رسول الله، نرى الجهاد أفضل العمل، أفلا نجاهد ؟ قال: لكن أفضل الجهاد حج مبرور «

“হে আল্লাহর রাসূল, আমরা জিহাদকে সর্বোত্তম আমল মনে করি, আমরা কি জিহাদ করব না? তিনি বলেন: তোমাদের জন্য সর্বোত্তম জিহাদ মাবরুর হজ”। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪৪৮), নাসাঈ, হাদীস নং২৬২৮)


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
পর্যায়ক্রমে নারীদের উপরও সরাসরি অস্ত্র হাতে জিহাদ ফরয হতে পারে। এটা তখনই হবে, যখন আমিরুল মু'মিনিন ঘোষণা দিবেন।

কেউ যদি হারাম রিলেশন থেকে বের হয়ে আল্লাহর পথে আসে এবং বিয়ে করে কিন্তু তারপরেও তার না চাইতে তার প্রাক্তনের কথা মনে পরে যা হারাম ছিলো কথা বলতে ইচ্ছে হয়, তাহলে করনীয় হল, শয়তান তাড়ানোর মত বাম দিকে থুথু নিক্ষেপ করে তারপর অজু করে দু রাকাত নামায আদায় করা। তাওবাহ ও ইস্তেগফার বেশী বেশী আদায় করা।।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...